Friday, 30 October 2015

কবিগান ৫:- কবিগানের বিষয়বস্তু ও আঙ্গিক ২



ঈশ্বর গুপ্ত তাঁর মাসপয়লা ‘সংবাদ প্রভাকরে’ যে সমস্ত কবিওয়ালার জীবনী ও কবিগান সংগ্রহ করেছিলেন তাতে সপ্তমী, সখীসংবাদ, ও বিরহের গানই সংগ্রহ করেছিলেন। গান গাওয়া আর পাঠ করবার রীতি সম্পর্কে বলেন-

হাফ আখড়াই,দাঁড়া সখের কবি ও পেসাদারি কবিতার গাহনার প্রনালী একপ্রকার।কিছুমাত্রই ভেদ নাই। প্রথমে ‘চিতেন’, পরে ‘মহড়া’ সর্বশেষে ‘অন্তরা’ গাহিতে হয়, কিন্তু লিখনকালে অগ্রে ‘মহড়া’, পরে ‘চিতেন’, শেষে ‘অন্তরা’ লিখিতে হইবে।

রুচির স্থূলতা দোষের কারনেই তিনি খেউড়ের বিশেষ উল্লেখ করেননি। অনেকে গুপ্ত কবির অমার্জিত রুচির নিন্দা করে থাকেন।কিন্তু কবিগান মুদ্রিত করতে গিয়ে তিনি অশ্লীল খেউরগান বাদ দিয়েছিলেন, এতে তাঁর মার্জিত রুচির প্রমাণই পাওয়া গেছে। অবশ্য রুচির  মর্যাদা রাখতে গিয়ে তিনি যা করেছেন তা কবিগানের ইতিহাসের এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেই আমি মনে করি। কারন খেউড়গানে রুচির ইতরতা সত্ত্বেও এখানে কবিয়ালদের পৃথক পৃথক ব্যক্তিত্বের তির্যকতা প্রকাশ পায়।
কবিগানের আসরে দুদল অবতীর্ন হয়ে যেভাবে একদল গান শুরু করত, আরেকদল গান গাইতে উঠে তার জবাব দিত, এইভাবে কবিতার সংগ্রামে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হত , তা ঈশ্বর গুপ্ত বা পরবর্তী কারও সংগ্রহ থেকেই সেই স্বাদ পাওয়া যায় না।
                      

ঈশ্বর গুপ্ত সংগৃহীত গানগুলিকে মহড়া, চিতেন, আর অন্তরায় ভাগ করেন; ১৮৭৭-৭৮ সাল নাগাদ প্রকাশিত গোপালচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্কলিত ও প্রকাশিত ‘প্রাচীন কবিসংগ্রহে সর্বপ্রথম ঈশ্বর গুপ্ত নির্দিষ্ট উপচ্ছেদগুলিকে আরো বিশ্লিষ্ট করে অনেকগুলি উপচ্ছেদে ভাগ করেন।পরবর্তিতে মনুলাল মিশ্র বিষয় সজ্জায় কিঞ্চিৎ নতুনত্বের উল্লেখ করেন- মহড়া –খাদ –মেলতা –চিতেন –পাড়ন –ফুকা -মেলতা। মার্গ রীতির সঙ্গীতের যেমন অস্থায়ী, সঞ্চারী, অন্তরা, আভোগ ইত্যাদি উপচ্ছেদ আছে, কবিগানেও সেই ধরনের রীতি লৌকিক নামে অভিহিত আছে। এগুলির আক্ষরিক ও প্রতীয়মান অর্থ এখন আমাদের কাছে কখন দুর্বোধ্য, কখনও বা অর্থহীন মনে হয়। কিন্তু সে যুগের কবিওয়ালা, বাঁধনদার, ও শ্রোতারা চিতেন- মহড়া- খাদ- ফুকা- মেলতার রূঢ়ি অর্থ নিশ্চয়ই বুঝতেন। প্রথমদিকে কবিগানের পংক্তি বিন্যাসে জটিলতা ছিল না, কিন্তু কালক্রমে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষে কবিগানে জটিলতা আসতে শুরু করে।
বাংলার পুর্ব ও দক্ষিনপুর্বাঞ্চলে পরবর্তীকালে যে কবিগান প্রচলিত হয়, তার পংক্তিবিন্যাসেও কিছু নতুনত্ব আছে।যশোহর খুলনার কবিগানের পংক্তিবিন্যাসের নামঃ চিতান, পরচিতান,পড়তা, ১ম ফুকর, মুখ, পেঁজ, খোঁজ, ২য় ফুকর, পরফুকর,পরখোঁজ, অন্তরা। বিক্রমপুর অঞ্চলের রীতির নাম হল চিতান, পরিচিতান, মিল্মহড়া, ধুয়া, খাদ, লহর, ঝুমুর। কেউ কেউ অনুমান করেন যে এই বিচিত্র নামগুলি পাঁচালীগানের   উদ্গ্রাহক, মেলাপক, আভোগ, ধ্রুবপদ ও অন্তরা থেকে পরিকল্পিত হয়েছে। কবিগানের পংক্তিবিন্যাস অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নাম গ্রহন করেছে। পংক্তিবিন্যাস ও মিত্রাক্ষরের রীতিও সর্বত্র এক নয়।
আবারও একটু কব্বিগানের বিষয়বস্তুর কথায় আসব । ঈশ্বর গুপ্ত গানগুলিকে ভবানীবিষয়(সপ্তমী), সখীসংবাদ, বিরহ, খেউড়, লহর এই পঞ্চাঙ্গে বিভক্ত করেছিলেন। ভবানীবিষয়ক গানে ছিল দেবী বন্দনা আর আগমনী গান। সখীসংবাদ ছিল বৈষ্ণব পদাবলী আশ্রয়ী। বিরহে ছিল সাধারন নরনারীর মানবীয় বিরহবেদনা। সপ্তমী- সখীসংবাদ-বিরহ গানেও হারজিত ছিল।একদল যখন গানে গানে ‘চাপান’ দিতেন, আরেকদল গানে গানেই তার ‘উতোর’ দিতেন, তখন তাদের গানে শাস্ত্রজ্ঞান, সরসতা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি, এমনকি স্বাভাবিকত্বও প্রকাশ পেত। কিন্তু সাধারন শ্রোতারা এ রসের বিশেষ পরোয়া করত না, তারা খেউর আর লহর শোনবার জন্য উৎকণ্ঠিত হত।এই দুই পর্যায় কবিগানের শেষ অঙ্গ। ঘুমে চোখ ঢুলু ঢুলু হলে, দর্শকের ঘুম কাটিয়ে দিত উচ্চবাদ্য যন্ত্র সহযোগের এইসব হাল্কা চালের অশ্লীল গান।
 চিত্র উৎস-  ঈশ্বর গুপ্তের  ছবি ইন্টারনেট থেকে গৃহিত।
তথ্যসুত্র-
১)History of Bengali Language and Literature - D.C. Sen.
2) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত( ৪র্থ খন্ড)- অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
৩)পূর্ববঙ্গের কবিগান- ডঃ দীনেশ চন্দ্র সিংহ
৪) প্রাচীন কবিওয়ালার গান- প্রফুল্লচন্দ্র    পাল।
সহযোগিতায়- রবীন্দ্রভারতী সেন্ট্রাল লাইব্রেরী আর RKMIC লাইব্রেরী।

Saturday, 10 October 2015

কবিগান ৪:- কবিগানের বিষয়বস্তু ও আঙ্গিক১



কাব্য সাহিত্যের অঙ্গনে কবিগানের অবাধ প্রবেশাধিকার ঘটেছে এর বিষয়বস্তু বৈচিত্র ও আঙ্গিকের কলাচাতুর্যের জন্য।এ গান একইসঙ্গে  গ্রাম্য গান আবার নাগরিক শিল্প; লোকগীতির অন্তর্ভুক্ত, আবার ভব্য সাহিত্যেরও আত্মীয়; গীতাত্মক আবার কবিতাত্মক; দেবদেবীর লীলারসে পূর্ণ,আবার বাস্তব জীবনের রঙ্গরসে উতরোল; কখনও বিশুদ্ধ ভক্তির গান, কখন মানবীয় প্রীতিরসে পূর্ন; কখনও সুস্নিগ্ধ মহত্বব্যঞ্জক, কখনও অতি জঘন্য ইতরতায় পর্যুসিত।এর মূল গ্রামবাংলায়, কিন্তু শাখাবিস্তার শহরে।এর রচনাকার ও গায়ক কখনও বর্ণজ্ঞানহীন  অন্ত্যজ ব্যক্তি, কখন সুশিক্ষিত ভদ্র সম্প্রদায়।এর ভাষায় ও রচনায় কখনও নিপুনতা, ছন্দে দক্ষতা; কখনও বা হানিকর অজ্ঞতা, উদাসীন অবহেলা,অশিষ্ট ভাঁড়ামি, ব্যকরণ-অভিধানের মুন্ডুপাত। কবিগান হাল আমলের সামগ্রী নয় বা ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির চেষ্টায় গড়েওঠা কোলকাতা শহরও এর জন্মনীড় নয়। গ্রামবাংলার ভাবভঙ্গী, গানবাজনা, মন ও আবেগ প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে কবিগান প্রথম গ্রামেই ভূমিষ্ঠ হয়েছিল এবং গোড়ার দিকে এ-গান মূলত লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল; ঝুমুর ও যাত্রা-পাঁচালীর সঙ্গেই ছিল এর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তা।

কবিগানের উগ্র আদিরসের দিকটি কৃষনগর, নবদ্বীপ ও শান্তিপুরের শিক্ষিতসমাজেই প্রথম প্রচারিত হয়েছিল-অনুমান অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে। এর উদ্দেশ্য ছিল নিছক গানবাজনা সংক্রান্ত আমোদপ্রমোদ; এতে দেবদেবীর কথা থাকলেও তার পরিমান ছিল সামান্য।অলসবিলাসী ধনীসমাজ ও কৃষ্ণনগরের দরবারি আদর্শে পরিপুষ্ট নাগরিকেরা এই ধরণের গান থেকে আদিরসের-ফোড়ন দেওয়া রিপুর উত্তেজনা চাইত। সুতরাং এই গানের  স্বরূপ পুরোটা না জানলেও আন্দাজ করতে অসুবিধা হয় না।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয়-চতুর্থ দশক পর্যন্ত দেখা যায়, কোলকাতা ও তার চারপাশে গাঙ্গেয় অঞ্চলে যে সমস্ত কবিওয়ালা গান রচনা করে বা মাইনেকরা বাঁধনদারের গান গাইতে লাগলেন, তাদের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় জয়নারায়ণ ঘোষালের ‘করুনানিধানবিলাসে’; এই গ্রন্থের মতে সেযুগে(অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে) কবিগান দুদলের মধ্যে তিনরাত্রি ধরে অনুষ্ঠিত হত। রচনার পরিপাট্য এবং সঙ্গীতের উতকর্ষানুসারে দুদলের মধ্যে জয় পরাজয় নির্ধারিত হত। প্রথমে এ গান নিছক বৈষ্ণব সঙ্গীতের বা কীর্তনের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।

    তিনরাত্র কবি গায় দু’ দল হইয়া।

      হারিজিতি শব্দগু’ণে শুনে মন দিয়া।।

      গোপীতে করিল সৃষ্টি কবির কীর্ত্তন।।

      অদ্যবধি সেই গান করে নরগণ।।”( ‘করুনানিধানবিলাস’ থেকে উদ্ধৃত)




করুনানিধানবিলাস’ প্রায় ঈশ্বর গুপ্তের সংগ্রহের ৩০ বছর আগের কথা, কিন্তু তাঁর এই সংগ্রহের ১৭-১৮ বছর আগে ফিরিঙ্গী সংবাদপত্র ‘ইংলিশম্যানে’ (13th January, 1837)  “হিন্দু” নামক নিবন্ধে কবিগানের দল ও আঙ্গিকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় মুদ্রিত হয়েছিল; এই বর্ননা থেকে আন্দাজ করা যায়, দেবদেবীর পূজানুষ্ঠানে যে কবি অনুষ্ঠিত হত তার সবটাই ছিল অশিক্ষিত জনচিত্তের উপযোগী- “ The Cobbeas are a species of wild song,  which exceedingly minister to the gratification of mob.

কোন ধনীব্যক্তির বাড়ির প্রাঙ্গনে রাত নটা-দশটার সময় কবিগান অনুষ্ঠিত হত। এত লোক জড়ো হতো যে উদ্যোক্তাদের পথে ভিড় সামলানো দুরূহ হতো। এমনকি ভিড় সামলানোর জন্য বেপরোয়া চাবুকও চালাতে হত। এতিমধ্যে ঢুলিরা ঢোলে ঘা দিলেই সভা যেত জমে। চারপাশের হৈ চৈ থিতিয়ে গেলে কবিতাওয়ালাদের প্রথম দল সংখ্যায় ১৩-১৪ জন, কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত লাল কাপড়ে ঢেকে, মাথায় পাখির পালক যুক্ত তেকোনা টুপি পড়ে, দুপায়ে নুপুর বেঁধে ঝুম ঝুম শব্দে একেবারে আদুড় গায়ে প্রাঙ্গনের মাঝঘানে অবতীর্ন হত। 
(মোট শব্দ সংখ্যা-৪৪৭টি।) 
তথ্যসুত্রঃ-


  • কবিগান- দীপক বিশ্বাস
  • বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত(৪র্থ খন্ড)-অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
  • করুনানিধানবিলাস- জয়নারায়ণ ঘোষাল
  •  ইংলিশম্যান পত্রিকা (13th January, 1837)  
সহযোগিতায়- রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এবং রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার লাইব্রেরী,গোলপার্ক । চিত্র উৎস- ইন্টারনেট।

Sunday, 4 October 2015

কবিগান ৩: কি তব পরিচয়?


কবিগান হল কবির গান; তবে এ গান একেবারে সাধারন গান নয়, এ গানে যুক্তির লড়াই থাকে, থাকে হেয় প্রতিপন্ন করবার প্রচেষ্টাও।এই গানের আসরে থাকে দুটি পক্ষ, প্রথমজন যে বিষয়টির পক্ষ নেবেন, তিনি যুক্তি দিয়ে সেই বিষয়ের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করবেন এবং দ্বিতীয়জনের গৃহীত বিষয়ের বিরুদ্ধে যুক্তি খাড়া করে দ্বিতীয় জনের বিষয়টিকে হেয় প্রতিপন্ন করে থাকেন।  যারা আধুনিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা দেখেছেন বা নিজে অংশগ্রহন করেছেন, তারা এই বিষয়টি কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন, কারন এই কবিগানের সঙ্গে এই আধুনিক বিতর্কের একটা মিল আছে, যদিও তা এই পাল্লা-পাল্লির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।বিতর্ক চলে পক্ষ ও বিপক্ষের বক্তার মধ্যে; কবিগান চলে দু পক্ষের কবিয়াল বা ছড়াদারদের মধ্যে, তারা গান গেয়ে কখন ছড়া বলে তাঁদের যুক্তি উপস্থাপন করেন।তাই বলা যায় কাব্যগীতির মাধ্যমে পরিবেশিত বিতর্কই হল কবিগান। কবিয়াল আফাজুদ্দিন একটি ছড়ায় খুব সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করেছেন-
  " এ লড়াই-এ নেই লাঠালাঠি
       শুধু কথার ফাটাফাটি
       হয় না তাতে চটাচটি
       থাকে যুক্তির পরিপাটি।"


পশ্চিমবঙ্গীয় প্রাচীন কবিগান বলতে প্রধানতঃ ভবানী বিষয়, সখীসংবাদ, গোষ্ঠ, লহর-কবি এবং রাধাকৃষ্ণ সম্পর্কে রচিত এক ধরণের বিরহ সঙ্গীতকে বোঝায়।

কবিগানের শ্রেনীবিভাগ
(ক)আসরের পূর্বে অর্থাৎ অবসর সময়ে রচিত গানের রকমফের-(উভয় পক্ষ কর্তৃক গীত)-
১। ডাক
২। ভবানী। মালসী। আগমনী
৩। গোষ্ঠ।ভোর
৪। সখীসংবাদ
৫। কবি (লহর কবি)
(খ)আসরে উপস্থিত ক্ষেত্রে রচিত গানের রকমফের(উভয় পক্ষ কর্তৃক গীত)-
১। সখীসংবাদের জবাব, 'কবি'র জবাব, টপ্পা ও টপ্পার জবাব।
২।ধুয়া।
৩। ত্রিপদী পাঁচালী।
৪। ধুয়া ও সুর সহযোগে গান। 
৫।পয়ার পাঁচালী।
৬। যোটের পাল্লা বা যোটক।

(অ)ডাক গানের অঙ্গ বিভাগঃ-

ডাক গানগুলি ২টি অংশে বিভক্ত-
(১) ডাক বা আহ্বান বা নিবেদন বা প্রস্তাবন
(২) অন্তরা বা ঝুমুর বা চালক

(আ)ভবানী,মালসী,'কবি', সখীসংবাদ, ভোর এবং গোষ্ঠগানের অঙ্গ বিভাগঃ-
১। চিতান
২। পাড়ন
৩। প্রথম ফুকার
৪। মিল।ছাড়
৫।মুখ।ধুয়া
৬।ডাইনা।ধুয়া 
৭। খাদ। খোঁচ
৮।দ্বিতীয় ফুকার বা খাদ ফুকার
৯। মিল।ছাড়
১০। অন্তরা।লটক।চালক।ঝুমুর
১১।পরচিতান
১২।পাড়ন বা পরপাড়ন
১৩। তৃতীয় ফুকার বা পরচিতান ফুকার
১৪। মিল।ছাড়।

চিত্র উৎস- ইন্টারনেট, প্রথমটি কবিগানের এক বাদ্য, দ্বিতীয়টি কবিগানের।
তথ্যসুত্রঃ-
পূর্ব বঙ্গের কবিগান( ১ম খন্ড)- ডঃ দীনেশ চন্দ্র সিংহ (প্রকাশক- কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)
কবিগান- দীপক বিশ্বাস। 
সহযোগিতায়- রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এবং রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার লাইব্রেরী,গোলপার্ক।