Tuesday, 22 September 2015

কবিগান ২:- কোথা হতে এলে তুমি ?

কবিগানের উৎস সন্ধানে......
দুঃখের বিষয় প্রায় পৌনে দুই শ বছর ধরে বিরতিহীন আলোচনা সমালোচনার পরেও একটি বিষয়ে  পাঠক ও গবেষকগন এখনো যে তিমিরে সেই তিমিরেই।দেশী, বিদেশী পত্র,পত্রিকা, বইতে কবিগনের উল্লেখ থাকলেও কেউ এখনও এই গঙ্গার ভগীরথ নির্নয় করতে পারেন নি। কবিগানের সূচনা আর প্রাচীনত্ব নিয়ে বিদ্দ্বজ্জন সমাজে মতদ্বৈধতার অন্ত নেই। এ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উক্তি রকমফের করে বলা যায়-
" হায় রে, কবে কেটে গেছে 'কবিগানের' কাল,
  পন্ডিতেরা বিবাদ করে লয়ে তারিখ সাল।"          ( সেকাল(ক্ষনিকা)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
কবিগানের অংশবিশেষ খেউড় (অনেকে খেঁউড় বা খেঁড়ু ও বলে) গানের সর্বপ্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ভারতচন্দ্রের 'বিদ্যাসুন্দরে', সেখানে বিদ্যার স্বামীকে দেওয়া বারোমাস্যার বর্ননায়  আশ্বিন সম্পর্কে বলা হয়েছে-
" আশ্বিনে এদেশে দুর্গা প্রতিমা প্রচার।
 কে জানে তোমার দেশে তাহার সন্ধান।।
 নদে শান্তিপুর হৈতে খেঁড়ু আনাইব।
          নতুন নতুন ঠাটে খেঁড়ু শুনাইব।।"( ভারতচন্দ্রের রচনাবলী,বঃ সাঃ পঃ)
এই বর্ননায় বোঝা যাচ্ছে ভারতচন্দ্রের যুগে নবদ্বীপ আর শান্তিপুরে দুর্গোৎসবে খেঁড়ু গানের আসর বসত। এই খেড়ুগান প্রকৃতিতে ছিল অশ্লীল। কেউ কেউ মনে করেন এই খেঁড়ু গান থেকেই কবিগানের অন্তর্গত খেউড়ের সৃষ্টি। আবার অনেকে মনে করেন যাত্রা থেকেই উৎপত্তি হয়েছে কবিগানের।তবে এইটা মানেন না সেই সংখ্যাটাও কম নয়, তাদেরও যুক্তি কম শক্তিশালী নয়-
প্রথমত, কবিগান যে যাত্রার অংশ ছিল, তার কোন নমুনা পাওয়া যায় না।
দ্বিতীয়ত,  কবিগান আর যাত্রার ধরন ধারনে অনেক পার্থক্য।
তৃতীয়ত,একই সময় যাত্রা আর কবিগানের সহাবস্থান, এক থেকে অপরের সৃষ্টিকে প্রশ্নচিহ্নের সামনে দাঁড়া করিয়ে দেয়।


কিছু পন্ডিত মনে করেন, পাঁচালী থেকে কবিগানের উৎপত্তি। কিন্তু কিছু জন ঠিক উল্টোটাই বলেন- কবিগান ভ্রষ্ট হয়েই আধুনিক পাঁচালী। তবে এই বিষয়ে ডঃ হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্যরত্ন মনে করেন পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত ঝুমুর থেকেই কবিগানের জন্ম। এই অভিমতের পিছনে যুক্তিও বেশ ধারালো।

      বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুমুরের চারটি ভাগ-
১) সখীসংবাদ( ব্রজলীলা)
২) আগম( ভবানী বিষয়ক)
৩) লহর(শ্লেষ ও ব্যঙ্গ)
৪) খেউড়( অশ্লীল গান)
রাঢ় বঙ্গে নায়ক নায়িকার কথা কাটাকাটি নিয়ে রচিত ঝুমুর গান আজও অনুষ্ঠিত হয়। এই তথ্যই প্রমান দেয়
কবিগানের সঙ্গে ঝুমুর গানের গভীরতর সম্পর্ক আছে, বিশেষত বিষোয়বস্তু, আঙ্গিক ও গায়ন রীতির দিক দিয়ে।
স্থান-কাল-পাত্র
কবিগানের স্থান-কাল-পাত্রের মধ্যে স্থান নিয়ে তেমন মতবিরোধ নেই। কাল সম্পর্কে বিভিন্ন পন্ডিতের বিভিন্ন মত। পাত্র সম্পর্কে খুব বেশী অন্য মত দেখা যায় না।প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঈশ্বর গুপ্তের নির্দেশিত গোজলা গুঁইকে কবিগানের আদি কবি রূপে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছেঃ যদিও তাঁর রচিত গান মোটেও কবিগানের লক্ষনযুক্ত নয়।বাস্তবিক কবিগান কবে থেকে নির্দিষ্ট রূপ গ্রহন করতে শুরু করেছে বা কার হাতে প্রথম পূর্নতা লাভ করেছে, তা অনুমান সাপেক্ষ।সত্য বলতে একাধিক গবেষক প্রাচীন কবিগানের উপর গবেষণা করে পি .এইচ. ডি উপাধি লাভ করলেও , ঈশ্বর গুপ্ত এর সম্পর্কে যে তথ্য  আহরন করেছেন তাঁর চেয়ে বেশিদূর কেউ এগোতে পারিনি। অনেকের ধারণা রবীন্দ্রনাথও এর ব্যতিক্রম নন।
"ইংরেজের নতুন সৃষ্ট রাজধানীতে কবির আশ্রয়দাতা রাজা হইল সর্বসাধারণ নামক স্থুলায়তন ব্যক্তি এবং সেই হঠাৎ রাজার সভার উপযুক্ত  গান হইল কবির দলের গান।।..................নতুন রাজধানীর নতূন সমৃদ্ধশালী কর্মশ্রান্ত বণিক সম্প্রদায় সন্ধ্যাবেলা বৈঠক বসিয়া দুই দন্ড আমোদের উত্তেজনা চাহিত। তাহারা সাহিত্য রস চাহিত না।"- কবিসংগীত (লোক্সাহিত্য)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 সাহিত্যরস ছিল কি ছিল না সে আলোচনা ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই করব। কিন্তু কাল সম্পর্কে এই তথ্য মেনে নেওয়া যায় না। কারন ১৬৯০ তে জব চার্নক কলিকাতায় পদার্পন করেন। কিন্তু তার  বহু আগে থেকেই বাংলার বিভিন্ন স্থান বিশেষত হুগলী নদীর দুই পারে যথা হুগলী, চন্দননগর,শ্রীরাম্পুর, চুঁচুড়া, সপ্তগ্রাম, সিউড়ি, শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর, কাশিম-বাজার প্রভৃতি বর্ধিষ্ণু জন বসতি এলাকায় আসর জমিয়ে বসে ছিল। ১৭৫৭ খ্রীঃ পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর মুর্শিদাবাদে নড়বড়ে রাজনৈতিক রাজধানী থাকলেও বাংলার অর্থনৈতিক রাজধানী কোলকাতায় স্থানান্তরিত হল। তাই পুরানো কেন্দ্রগুলি ছাড়া আরোকিছু নতুন কেন্দ্র গড়ে উঠল যথা শোভাবাজার, হাটখোলা, দর্জিপাড়া,কলটোলা, শিমুলিয়া, ব্রানগরের অনেক ধনাঢ্য বনেদি পরিবার কবিগানের অন্যতম  পৃষ্ঠপোষোক হয়ে দাঁড়াল। তৎকালীন নগরকেন্দ্রিক সমাজ জীবন ছিল এদেরই নিয়ন্ত্রনে। সুতরাং রাজা মহারাজাদের ব্রাহ্মন সভাকবির স্থানে নতুন ধনপতিদের সভাকবি হলেন মুচি, গুঁই, বৈরাগী,বেনে, ময়রা প্রভৃতি নিম্নশ্রেনীর থেকে উদ্ভূত কবিকূল।
চিত্র উৎস- ইন্টারনেট, প্রথমটি যাত্রার, দ্বিতীয়টি ঝুমুর, তৃতীয়টি পুরানো কোলকাতার।
তথ্যসুত্র-
১)History of Bengali Language and Literature - D.C. Sen.
2) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত( ৪র্থ খন্ড)- অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
৩)পূর্ববঙ্গের কবিগান- ডঃ দীনেশ চন্দ্র সিংহ
৪) প্রাচীন কবিওয়ালার গান- প্রফুল্লচন্দ্র    পাল।
সহযোগিতায়- রবীন্দ্রভারতী সেন্ট্রাল লাইব্রেরী আর RKMIC লাইব্রেরী।


Thursday, 17 September 2015

কবিগান ১:- শুরুর কথা.................................







" বাঙালীর মতো সঙ্গীতপ্রিয় জাতি আর নেই।.... যে জাতি নৌকা বাহিতে ,ধান কাটিতে, পূজাপার্বনে, এমনকি শ্মশানে মৃতদেহ দাহ করিবার সময় পর্যন্ত গান গাহিয়া থাকে, সে জাতির প্রাণের অভিব্যক্তি যে গান হইবে তাহার আর বিচিত্র কি?"    ( কবির ঝঙ্কার( ভূমিকা)- ধীরেন্দ্রমোহন গঙ্গোপাধ্যায়)

            বাংলাদেশে বিভিন্ন  অঞ্চলে যে সব গান কোন না কোন সময়ে প্রচলিত ছিল বা কিছু কিছু এখনও আছে, তন্মধ্যে- কীর্তন, কবি, সারি, জারি, বাউল, উল্টো বাউল, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া,তর্জা, পাঁচালী, টপ্পা, রামপ্রসাদী, কালী কীর্তন, নোউকা বাইচের গান, হাতি খেদার গান, রয়ালী, গাজির গান, ভাদু ,টুসু, চটকা,মুর্শিদা, ক্ষীরোল, ছাত পেটানো গান, ক্ষেত নিড়ানি গান,  মাইজ ভান্ডারীর গান, নবীর গান,  আলকাপ, মারফতী, ঝুমুর, বিয়ের গান, চপগান, যাত্রাগান, গাজন, গম্ভীরা, গৌরগীতি, গুরুভজন, মিলন গান, নীলের গান, বিচ্ছেদি ভাবগান, রাখালিয়া, দেহতত্ত্ব, মনশিক্ষা, মালসী, আগমনী, জাগরনী, ডুমনী, ঘেঁটুর গান, চাকের গান ইত্যাদি  ইত্যাদি বিশেষ উল্লেখযোগ্য ।  সহজ কবিত্ব ও সঙ্গীত প্রিয়তার এত বড় নিদর্শন আর কোন দেশ বা জাতির মধ্যে দেখা যায় না। এখানেই বাংলা ভাষার অভিনবত্ব আর গৌরবও। বাংলা ভাষায় গানই ভালো হয় বলে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ মত প্রকাশ করেছেন। কবিগুরুর মন্ত্যব্যের সমর্থনে বেশি পরিমান সাক্ষ্যপ্রমাণ নিষ্প্রয়োজন।
 হাজার হাজার বছরের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস; হাজার বছরের পুরানো বাংলা গ্রন্থ - চর্যাগীতিকা- প্রথমে সঙ্গীত, পরে হয় তো তা কাব্য নিঃসন্দেহে। এগুলি যে প্রধানত সঙ্গীত তা শিরোনামে লেখা বিভিন্ন রাগ রাগিনীর উল্লেখ দেখেই বোঝা যায়। এবার আসা যাক বাঙালীর সাহিত্য কীর্তির কথায়, বাংলা নয় কিন্তু বাঙালী কবির রচিত সংস্কৃত গ্রন্থ জয়দেবের গীতগোবিন্দম্ ।
      জয়দেবের গীতগোবিন্দম্  সম্পর্কে ডঃ অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' গ্রন্থের ১ম খন্ডে বলেছেন,  
" দ্বাদশ সর্গে সমাপ্ত, উক্তি -প্রত্যুক্তি ও সঙ্গীতময় রাধাকৃষ্ণের মিলনলীলা লইয়া রচিত এই কাব্যের বিষয়বস্তু, রচনাকৌশল ও ভক্তির জন্য সারা ভারতে  অপ্রতিহত প্রাধন্য অর্জন করিয়াছিল।"
তখন সময় ছিল রাজা বাদশাহের, কবিরা আলোকিত করত রাজসভা। অতি প্রাচীন কালেই মহারাজা বিক্রমাদিত্যের  সভা আলোকিত করত মহাকবি কালিদাস, মহাকবি দন্ডী। ত্রয়োদশ  শতাব্দীতে লক্ষন সেনের সভা অলঙ্কৃত করত  জয়দেব। পঞ্চদশ শতাব্দীতে মিথিলা রাজের সভা অলঙ্কৃত করত বিদ্যাপতি। অষ্টদশ শতাব্দীতে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভায় ছিলেন কবি ভরতচন্দ্র, কবি রামপ্রসাদ সেন। ঠিক এর পরবর্তী সময়েই শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, গীত গোবিন্দম্, বৈষ্ণব পদাবলীর ভাব অবলম্বন করে কীর্তন, যাত্রা, ঢপ, টপ্পা, পাঁচালী, কথকতা, ঝুমুর প্রভৃতি লোকপ্রিয় গানের সুর রাজসভা থেকে নেমে এসে কাব্য ও গান নানা রঙ পরিগ্রহ করে জনমানসে ছড়িয়ে পড়ে। ' জনসাহিত্য' নামে নতুন শাখার অভ্যুদয়ও এই সময় থেকেই।
সঙ্গীত ও কাব্যের মাধ্যমে উক্তি-প্রত্যুক্তি, প্রশ্নোত্তরের নিদর্শন ভারতের ইতিহাসে প্রাচীন কাল থেকেই কিছু কিছু পাওয়া যায়। রামায়ণ ও মহাভারতের যুদ্ধে বাণ বরিষণের অধিক বাক্য বরিষণই হতো।মহারাজা বিক্রমাদিত্য একদিন  সামনে পড়ে থাকা কাঠের খন্ড দেখিয়ে দন্ডীকে বলেন , ' এটা কি?'। দন্ডী বলেন-" শুষ্কং কাষ্ঠং তিষ্ঠত্যাগ্নে।"
কালিদাস একই প্রশ্নে উত্তর দিলেন- " নীরসঃ  তরুবরঃ পুরতো ভাতি।" এর দ্বারাই কালিদাসের উপস্থাপনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানিত হয়ে গেল। একবার কবি রাক্ষস কালিদাসকে কাব্যের লড়াইয়ের আহ্বান জানায়, তিনি বলেন,' তিনি যে অক্ষর সমৃদ্ধ কথায় প্রশ্ন করবেন, সেই অক্ষর সমৃদ্ধ কথায় কালিদাসকে উত্তর দিতে হবে।" কালিদাস প্রস্তাব মেনে নেন।
রাক্ষস বললেন- "  কম্ বলন্তং ন বাধতে শীতঃ।"
কালিদাস উত্তর দিলেন-" কম্বলন্তং ন বাধতে শীতঃ।"
রাক্ষস কবি বললেন-" কা শীতলা প্রবাহিনী গঙ্গা।"
কালিদাস উত্তর দিলেন- " কাশীতলা প্রবাহিনী গঙ্গা।"
রাক্ষস কবি ফের বললেন-" কা মধুরা।"
কালিদাস উত্তর দিলেন- " কামধুরা।"
কালিদাসের কথার উপস্থাপনের মারপ্যাঁচে ধরাশায়ী হলেন রাক্ষস কবি।
এবার  আমি যে উদাহরণটি দিতে চলেছি  তা অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলার বুকে এক কবিযুদ্ধের, যা ঘটেছিল মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায়; রামপ্রসাদ আর আজু গোঁসাই এর মধ্যে।
রামপ্রসাদ গাইলেন-
        " ডুব দে রে মন কালী বলে,
             হৃদি রত্নাকরের  অগাধ জলে।"

 আজু গোঁসাই উত্তরে গাইলেন-
            " ডুবিসনে মন ঘড়ি ঘড়ি
                  দম আঁটকে যাবে তারাতারি।"

রামপ্রসাদ  অন্যকথায় গাইলেন-
    " আয় মন বেড়াতে যাবি
         কালী কল্পতরু মূলে চারি ফল কুড়ায়ে খাবি।"

 আজু গোঁসাই উত্তরে  বললেন-
     " কেন মন বেড়াতে যাবি?
           কারও কথায় যাসনে কোথাও
             মাঠের মাঝে মারা যাবি।"
একথা নিশ্চয়ই সকলে মেনে নেবেন , চাষের জমিতে সব সময় পর্যাপ্ত আর উন্নত ফসল ফলবে তাঁর কোন নিশ্চয়তা নেই, এইকথাটি সাহিত্যের ক্ষেত্রেও ঠিক ততটাই প্রযোজ্য। এতদিন কবিরা ছিলেন জনগণের ধরাছোঁয়ার বাইরে, রাজদরবারে সভাসদ রূপে। এবার তাঁরা নেমে এলেন জন দরবারে। বীনার ঝংকার, সেতারের গুঞ্জনের পরিবর্তে একেবারে দেশী ঢোল কাঁসির আওয়াজে আসর সরগরম হল।রাজপথ থেকে জনপথে অবতরণের ফলে সভাগায়ক আর সভাকবির সমন্বয়ে সৃষ্টি হল কবিয়াল ও কবিগান। কবি শুধু রচনাই করবেন না, সঙ্গে সঙ্গে গাইয়েও শোনাবেন। কবির রচনা আবৃত্তিতে তৃপ্তি যারা পায় না, তাদের মনোরঞ্জনের জন্য পুনরাবৃত্তির গান- তাই কবিগান।
চিত্রটি কবিগানের উপর  হওয়া আধুনিক একটি সিনেমাঃ-জাতিস্বর: A Musical of Memories' থেকে গৃহিত।
তথ্যসুত্রঃ-
পূর্ব বঙ্গের কবিগান( ১ম খন্ড)- ডঃ দীনেশ চন্দ্র সিংহ (প্রকাশক- কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত ( ১ম খন্ড)- ডঃ অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় 
কবির ঝঙ্কার  - ধীরেন্দ্রমোহন গঙ্গোপাধ্যায়
কবিগান- দীপক বিশ্বাস।
সহযোগিতায়- রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এবং রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার লাইব্রেরী, গোলপার্ক।